গর্ভকালীন বিশ্রাম Rest during pregnancy

blog-pic-468

লিখেছেনঃ ডা. কামরুল আহসান, শিশু বিশেষজ্ঞ, সরকারি কর্মচারি হাসপাতাল, ঢাকা। (অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না)

দৈনন্দিন কাজকর্মের পর প্রতিটি মানুষেরই প্রয়োজন হয় বিশ্রামের। বিশ্রাম দেহের ক্লান্তি ও মনের অবসাদ দূর করে। দেহ-মনকে সতেজ করে তোলে। পরবর্তী দিনের কাজ করার জন্য শরীরকে উপযুক্ত করে তোলে। স্বাভাবিকভাবেই একজন গর্ভবতীকে বিশ্রাম নিতে হয় অন্যদের তুলনায় কিছুটা বেশি। যদি কোনো  ধরণের জটিলতা না থাকে, তবে একজন গর্ভবতী দৈনন্দিন কাজকর্মের পর স্বাভাবিক নিয়মেই বিশ্রাম নিবেন। তবে একবারে শুয়ে-বসে থাকাটা ঠিক নয়। যখনই একজন নারী গর্ভধারণ করেন, তখন থেকেই ভারী কাজ গুলো এড়িয়ে চলবেন। তবে বিশেষ করে

rest during pregnancy

Some doctors suggest bed rest for conditions like growth problems in the baby, high blood pressure or preeclampsia, vaginal bleeding from placenta previa or abruption, preterm labor, cervical insufficiency, threatened miscarriage, and other problems. They hope that by taking it easy, you lower the risk of preterm birth or pregnancy complications. Today, almost 1 out of 5 women is on restricted activity or bed rest at some point during her pregnancy.

গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে এবং শেষ ৪ সপ্তাহ যে কোনো ধরণের ভারী কাজ ও দীর্ঘক্ষণ ধরে কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকবেন। ঘরের কাজকর্ম করে প্রতিদিন বিশ্রাম নিতে হবে। বিশ্রাম বলতে শুধু রাতে ঘুমানো নয়, দিনের বেলায়ও কিছুটা সময় বের করে বিশ্রাম নিতে হবে। পরিবারের সদস্যদের গর্ভবতী মাকে বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। গর্ভাবস্থায় নানা কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। পিঠে ব্যথা, পায়ে ব্যথা, গলা-বুক জ্বলা, ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ পাওয়া আর মানসিক উদ্বেগ ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দে বিঘ্ন ঘটায়। শেষের মাসগুলোতে শারীরিক সমস্যাগুলো আরও প্রকট হয়ে দেখা দেয়। এসবের মাঝেই বিশ্রাম ও ঘুমের ব্যবস্থা করতে হবে। যদিও বিশ্রাম ও ঘুমের ব্যাপারে কোন ধরাবাঁধা নিয়ম নেই, তবু গর্ভাবস্থার শেষ ৬ সপ্তাহে মোট ১০ ঘণ্টা বিশ্রাম নেয়া উচিত। এর মধ্যে ৮ ঘণ্টা রাতে ঘুম এবং ২ ঘণ্টা দিনে বিশ্রাম। প্রতিদিন পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।

–    দিনের বেলা ১-২ ঘণ্টার বিশ্রাম এবং রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে চেষ্টা করুন,
–    প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে জেগে ওঠার চেষ্টা করুন,
–    ক্যাফেইন জাতীয় খাবার ঘুমে বিঘ্ন ঘটায়। চা পানের অভ্যাস থাকলে সকালে এবং বিকালের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন,
–    শোয়ার জন্য আরামদায়ক বিছানা ব্যবহার করুন। ফোম বা স্প্রিংয়ের বিছানার চেয়ে জাজিম ও তোশকের বিছানা শোয়ার জন্য বেশি উপযোগী ,
–    বিশ্রাম নেয়া বা শোয়ার সময় যে কোনো একদিকে কাত হয়ে শুলে মা স্বস্তি পাবেন। এতে মায়ের জরায়ু আকার বৃদ্ধিজনিত কারণে শ্বাসকষ্ট হবে না এবং জরায়ুতে রক্ত চলাচল ভালো হবে,
–    শোয়ার সময় যে কয়টি বালিশ ব্যবহার করে আরাম বোধ করেন, তা-ই করবেন,
–    রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে টেলিভিশন দেখা আর কম্পিউটার ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকুন,
–    সারা দিনের প্রয়োজনীয় পানির সিংহভাগ সন্ধ্যার আগে পান করার চেষ্টা করুন। ঘুমানোর আগে বেশি পানি পান করলে বারবার প্রস্রাবের জন্য উঠতে হবে। এতে নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে।

ফোনেই ডাক্তারের সাথে কথা বলতে “e-স্বাস্থ্য” এর সদস্য হন (ক্লিক করুন)

2018-04-03_03

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য। অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না।

দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।

Comments are closed.