পরিবার পরিকল্পনা Family Planning

blog-pic-444

বিয়ের পর বাচ্চা নেয়ার আগে সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক করা উচিৎ। পরিবার পরিকল্পনার কোন পদ্ধতিটি আপনি গ্রহণ করবেন? অনেক রকম পদ্ধতি রয়েছে যার মাঝে আপনি একটি বেছে নিতে পারেন, আসুন দেখে নিইঃ

১) কনডম: নববিবাহিতদের জন্য সবচেয়ে ভাল বা নিরাপদ হল কনডম ব্যাবহার। কনডম শুক্রাণুকে জরায়ুতে প্রবেশ করতে বাধা দেয়, যার কারণে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। কনডম শতকরা ৯৮-৯৯% নিরাপদ। তাছাড়া এটি  যৌন বাহিত রোগ হওয়া প্রতিরোধ করে। তবে কনডম অবশ্যই যেন একটি ভালো কোম্পানির হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা বিশেষ জরুরী।

২) খাবার বড়ি: খাবার বড়ি একটি বহুল ব্যবহৃত ব্যবস্থা। নিয়ম মাফিক গ্রহণ করলে এটি ৯৬-৯৭% পর্যন্ত কার্যকর থাকে। খাবার বড়ির একটি পাতায় ২১ টি সাদা রং এর বড়ি এবং ৭ টা লাল রং এর বড়ি থাকে। মাসিকের ১ থেকে ২১ নম্বর দিন পর্যন্ত সাদা রঙের বড়ি খেতে হবে এবং তারপর ৭ দিন ৭ টা লাল রং এর বড়ি গ্রহণ করতে হবে। লাল রং এর বড়ি খাওয়ার সময়ই মাসিক শুরু হয়ে যায়। তবে মাসিক হল নাকি হল না সেটার চেয়ে বড় ব্যাপার হল ২৮ দিন শেষ হলে নতুন পাতা শুরু করতে হবে। যদি একদিন বড়ি খেতে ভুলে যান এবং পরদিন মনে পরে তাহলে পরদিন, আগের দিন এবং ওই দিন এই ২ টি বড়ি একসাথে খেয়ে ফেলতে হবে। সর্বোচ্চ ২ দিন পর্যন্ত বড়ি না খেলে তা খেয়ে নেয়া যায়, কিন্তু টানা ৩ দিন না খেলে আপনাকে ওই পাতা ফেলে দিয়ে নতুন পাতা শুরু করতে হবে। এই বড়ি খাওয়ার কারণে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে যা পরবর্তীতে ঠিক হয়ে যায়। আর বাচ্চা নিতে চাইলে যে সময় থেকে চেষ্টা করবেন তার ৩ মাস আগে থেকে খাবার বড়ি খাওয়া বাদ দিয়ে দিতে হবে। তবে একটানা বড়ি গ্রহণ করলে উচ্চ রক্তচাপ, রক্তনালীর সমস্যা, লিভারে সমস্যা হতে পারে তাই এই দিকে খেয়াল রাখা একান্ত জরুরি।

৩) ইনজেকশন: যে সকল মহিলাদের ক্ষেত্রে স্বামী কনডম ব্যাবহার করতে চান না বা যারা খাবার বড়ি খেতে অস্বস্তি বোধ করেন তাদের জন্য ইনজেকশন একটি কার্যকরী পদ্ধতি। সাধারণত হাত বা নাভির চারপাশের গভীর মাংসপেশিতে এটি দিতে হয় মাসিক শুরুর ৭ দিনের মধ্যে। তবে এটি গ্রহণের কারণে মাসিক অনিয়মিত হতে পারে বা হাল্কা হাল্কা রক্ত যেতে পারে। এই পদ্ধতি প্রায় ৯৬-৯৭% কার্যকর।

৪) নর-প্লান্ট বা ইমপ্লান্টেশনঃ এই পদ্ধতিতে সাধারণত হাতের চামড়ার নিচে ৬ টি ছোট ছোট ক্যাপসুলের মত সেট প্রতিস্থাপন করা হয় এটির মেয়াদ প্রায় ৫ বছর হয়। তবে সময়ের আগে এটি খুলে ফেলা যায়। তবে অস্বস্তি বোধ হওয়ার কারণে এটি অনেকেই ব্যাবহার করতে চান না। তাছাড়া এটি লাগাতে বা খুলতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তার এর প্রয়োজন হয় এবং ৩ মাস পর পর চেক করতে হয় যে এটি ঠিক মত আছে কিনা।

এছাড়া ইন্টা-ইউটেরাইন কন্ট্রাসেপ্টিভ ডিভাইস নামক আর একটি পদ্ধতি রয়েছে যেখানে জরায়ুর মধ্যে কপারটি নামক একটি জিনিস বসানো হয়। তবে এটি ব্যাবহারের জন্য কমপক্ষে ২ টি বাচ্চা থাকতে হয়। এটি শুক্রাণুকে জরায়ুর মাঝে চলতে বাধা দেয় এবং ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন রোধ করে। এটির সাথে একটি সুতা থাকে যেটি জরায়ু দিয়ে বের হয়ে থাকে, এবং এটি দিয়ে পরীক্ষা করা যায় যে এটি ঠিক মত অবস্থানে আছে কিনা।

উপরোক্ত ব্যবস্থার মাঝে যে কোন একটি আপনি ব্যাবহার করতে পারেন তবে যেটিই ব্যাবহার করেন না কেন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করুন। আপনার সুখী দাম্পত্য জীবন আমাদের একান্ত কাম্য।

– ইউটিউবে স্বাস্থ্য টিপস পেতে ক্লিক করুন “Doctorola TV” (Online Health Channel) –

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য। অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না। লেখা সংক্রান্ত কোন মতামত থাকলে অনুগ্রহ করে ব্লগের নিচে “Leave a Reply” সেকশনে বিস্তারিত লিখুন।

দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।

From Wikipedia: Family planning is the practice of controlling the number of children in a family and the intervals between their births. Contemporary notions of family planning, however, tend to place a woman and her childbearing decisions at the center of the discussion, as notions of women’s empowerment and reproductive autonomy have gained traction in many parts of the world. Family planning may involve consideration of the number of children a woman wishes to have, including the choice to have no children, as well as the age at which she wishes to have them. These matters are influenced by external factors such as marital situation, career considerations, financial position, any disabilities that may affect their ability to have children and raise them, besides many other considerations. If sexually active, family planning may involve the use of contraception and other techniques to control the timing of reproduction. Other techniques commonly used include sexuality education, prevention and management of sexually transmitted infections, pre-conception counseling and management, and infertility management. Family planning is sometimes used as a synonym or euphemism for access to and the use of contraception. However, it often involves methods and practices in addition to contraception. Additionally, there are many who might wish to use contraception but are not, necessarily, planning a family (e.g., unmarried adolescents, young married couples delaying childbearing while building a career); family planning has become a catch-all phrase for much of the work undertaken in this realm. It is most usually applied to a female-male couple who wish to limit the number of children they have and/or to control the timing of pregnancy (also known as spacing children). Family planning may encompass sterilization, as well as abortion.

Comments are closed.