শিশুদের নেফ্রাইটিক সিন্ড্রোম

blog-pic-377

শিশুদের প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাবার পেছনে যে কারণগুলো দায়ী তার মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ নেফ্রাইটিক সিন্ড্রোম।  এ রোগটি সাধারণত ৫-১২ বছর বয়সী শিশুদের হয়ে থাকে। ৩ বছর বয়সের আগে এটি সাধারণত হয় না। এই রোগটি হবার আগে রোগীর ত্বকে বা গলায় ইনফেকশন হবার একটি ইতিহাস থাকে সাধারণত।

কি কি উপসর্গ থাকে প্রধানত?
১. প্রস্রাবের পরিমাণ বেশ কমে যাওয়া। প্রস্রাবের রঙ লালচে হয়ে যাওয়া।
২. কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীর প্রস্রাবই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
৩. চেহারা ফুলে যাওয়া।
৪. জ্বর হতে পারে।
৫. গা ম্যাজম্যাজ করা, অবসাদ, মাথাব্যথা, বমি ইত্যাদি থাকতে পারে।
৬. শরীরে পানি আসার চিহ্ন পাওয়া যেতে পারে।
৭. রক্তচাপ বেড়ে যায়।

কি কি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়?
১. প্রস্রাবের রুটিন ও মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষা।
২. রক্তের রুটিন পরীক্ষা।
৩. রক্তে ASO পরীক্ষা।
৪. রক্তে C3 পরীক্ষা।
৫. রক্তে ইলেক্ট্রোলাইটসের মাত্রা।
৬. রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা।
৭. বুকের এক্সরে ইত্যাদি।

কীভাবে চিকিৎসা করা হয়?
১. প্রথমেই শিশুর মা-বাবাকে রোগটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়, এর চিকিৎসা সম্পর্কে বলা হয়, সম্ভাব্য জটিলতা সম্পর্কে জানানো হয়,  এ রোগের আরোগ্য সম্ভাবনার কথাও বলা হয়।
২. রোগীকে বিছানায় বিশ্রামে রাখা হয়।
৩. খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ সীমিত করে দেওয়া হয়।
৪. লবণ এবং তরলজাতীয় খাবার সীমিত করে দেওয়া হয়।
৫. ডাইইউরেটিক্স জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
৬. এন্টিবায়োটিক দেওয়া হয়।
৭. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্যে ওষুধ ব্যবহার করা হয়।

কি কি জটিলতা দেখা দিতে পারে?
১. হার্ট ফেইলিউর
২. কিডনি ফেইলিউর
৩. মস্তিষ্কে জটিলতা (Encephalopathy) ইত্যাদি।

আরোগ্য সম্ভাবনা কেমন?
৯৫%-এরও বেশি-ক্ষেত্রে রোগী পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়। সাধারণত এ রোগ পুনরায় দেখা যায় না।

Doctorola TV (Online Health Channel)

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য।

দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 016484 নম্বরে।

Comments are closed.