স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক প্রস্রাব

blog-pic-320

স্বাভাবিক প্রস্রাবের অভ্যাস নিয়ে কিছু কথা :
১. সারাদিনে মানুষ সাধারণত ২.৫-৩ লিটার পানি বা পানীয় পান করে থাকে।
২. কিডনির কাজ করার ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলে, পারিপার্শ্বিক আবহাওয়ার খুব বড় তারতম্য না হলে প্রতিদিন প্রায় ১.৫ লিটার প্রস্রাব কিডনি তৈরি করে থাকে।
৩. এছাড়াও আমাদের শরীর থেকে কিছু পানি ঘাম আকারে, কিছু পানি শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে, কিছু পানি মলের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।
৪. আমাদের প্রস্রাবের থলির (ইউরিনারি ব্লাডার) ধারণক্ষমতা ৩০০ মিলিলিটার। তাই স্বাভাবিকভাবে একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টায় ৫ বার প্রস্রাব করে থাকে।
৫. সাধারণত দিনে ৪ বার আর রাতে ১ বার প্রস্রাব হয়ে থাকে।

(অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না)

স্বাভাবিক প্রস্রাব কেমন?
১. স্বাভাবিক প্রস্রাব পরিষ্কার, রংহীন বা হলুদাভ।
২. প্রস্রাব ত্যাগের ব্যাপারটি বাধাহীন, ব্যথাশূন্য, সম্পূর্ণই স্বস্তিকর।
৩. এ প্রক্রিয়াটি শুরু করা যায় নিজ ইচ্ছায়, চাপ দেওয়ার কোনও প্রয়োজন হয় না।
৪. গতি হয় একটানা। সাধারণত ২০ সেকেন্ডে শেষ হয়।
৫. প্রক্রিয়াটি শেষ করে অনুভব করা যায় এক স্বাভাবিক পরিতৃপ্তি।

 কখন সতর্ক হতে হবে?
১. প্রস্রাব যদি ঘোলা হয়
২. প্রস্রাব যদি অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত হয়
৩. প্রস্রাব যদি অস্বাভাবিক দুর্গন্ধযুক্ত হয়
৪. প্রক্রিয়াটি যদি হয় জ্বালা-যন্ত্রণাপূর্ণ
৫. প্রস্রাবের রঙ যদি লাল হয়

এসব সমস্যা দেখা দিলে জরুরি ও ঝুঁকিপূর্ণ স্বাস্থ্য-সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। অনেকক্ষেত্রে সামান্য কালক্ষেপণও হতে পারে অসামান্য ক্ষতির কারণ। অথচ সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ, রোগনির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসায় এ ধরনের অসুস্থতা নিয়ন্ত্রণ নয় শুধু, অনেকক্ষেত্রেই নিরাময় সম্ভব।

– ইউটিউবে স্বাস্থ্য টিপস পেতে ক্লিক করুন “Doctorola TV” (Online Health Channel) –

প্রস্রাব করা বা না করার এই নিয়ন্ত্রণ কি সব সময় রক্ষা করা সম্ভব?
উত্তর হচ্ছে ‘না’। তবে অবশ্যই তা স্বাভাবিক নয়। যেমন :
১.নানা ধরনের স্নায়বিক অসুস্থতা
২.প্রস্রাবের থলির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে যেসব স্নায়ু তার বৈকল্য বা সমন্বয়হীনতার
৩. প্রস্রাবে প্রদাহ
৪. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
৫. প্রস্রাবের থলির নানাবিধ অসুস্থতা।

ব্যক্তি যখন এ নিয়ন্ত্রণ হারায়, তখন সে আর নিজ ইচ্ছানুসারে প্রস্রাব করতে পারে না। কখনও কখনও কারও কারও ক্ষেত্রে ঘটে অনভিপ্রেত অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিজের অজান্তে প্রস্রাব ঝরে যাওয়ার মতো বিব্রতকর ঘটনা। যা কেবল অসুস্থতাই নয়, সামাজিকভাবে বিব্রতকরও বটে। তবে এসবই নিয়ন্ত্রণযোগ্য ও নিরাময়যোগ্য। (অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না)

– ইউটিউবে স্বাস্থ্য টিপস পেতে ক্লিক করুন “Doctorola TV” (Online Health Channel) –

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য।

দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 016484 নম্বরে।

Comments are closed.