Not Available Date for this Advertisement

হাইড্রোসিল বা একশিরা / Hydrocele

blog-pic-342

এটি অণ্ডকোষের সাধারণ কিন্তু অতীব গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। অণ্ডকোষ বা টেস্টিস হচ্ছে পুরুষ প্রজনন গ্রন্থি যা থেকে শুক্রাণু ও টেস্টোস্টেরণ নিঃসৃত হয়। হাইড্রোসিল এমন একটি অবস্থা যেখানে অণ্ডকোষের চারিদিকে অস্বাভাবিক তরল পদার্থ জমা হয়ে অণ্ডথলিকে স্ফীত করে তোলে। হাইড্রোসিল অণ্ডথলির যে কোনও পাশেই হতে পারে এবং কদাচিৎ দু পাশেই হয়। যদিও হাইড্রোসিল বিশেষ কোনও উপসর্গ তৈরি করে না তবুও বিষয়টি চিকিৎসকের নজরে আনা উচিত। কারণ কখনও কখনও এগুলো অণ্ডকোষের মারাত্মক অবস্থা নির্দেশ করে। অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না।

কাদের বেশি হয়ে থাকে?
– সাধারণ পুরুষের প্রথম ও শেষ বয়সকালে হয়ে থাকে। তবে এটি যেকোনো বয়সেই হতে পারে
– প্রায় ১০ ভাগ অপরিপুষ্ট পুরুষ শিশু হাইড্রোসিল নিয়ে জন্মগ্রহণ করে
– বয়স্কদের হাইড্রোসিলের সাথে কখনও কখনও অণ্ডথলিতে আঘাতের ইতিহাস থাকতে পারে
– কখনও কখনও অণ্ডকোষের ক্যান্সারের সাথে হাইড্রোসিল সহাবস্থান করতে পারে

কারণ ও ঝুঁকি : বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনও কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না,
– ইনফেকশন
– ক্যান্সার
– আঘাত পাওয়া
– রক্ত বা অন্যান্য তরল অণ্ডনালীতে আবদ্ধ হওয়া
– আমাদের দেশে উত্তরাঞ্চলে ফাইলেরিয়া সংক্রমণের কারণে হাইড্রোসিলের প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি
– প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় চিকিৎসা
– ভেরিকোসিল অপারেশনের পর

উপসর্গ :
– অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া
– সাধারণত কোনও ব্যথা থাকে না
– প্রাপ্তবয়স্করা অস্বস্তি অনুভব করতে পারে

রোগ নির্ণয় :
– শারীরিক পরীক্ষা হচ্ছে হাইড্রোসিল নির্ণয়ের প্রথম ধাপ
– আল্ট্রাসাউণ্ড হচ্ছে হাইড্রোসিল নিশ্চিত করার সর্বোত্তম পন্থা

 চিকিৎসা :
– অধিকাংশ ছোট ও নির্দোষ হাইড্রোসিলের চিকিৎসা প্রয়োজন হয় না
– তবে যদি এটি অস্বস্তির কারণ হয় অথবা অনেক বেশি বড় হয় তবে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়

হাইড্রোসিল চিকিৎসার দুটো উপায় আছেঃ
১. ফুটো করে তরল পদার্থ বের করে আনা
২. অপারেশনের মাধ্যমে হাইড্রোসিল অপসারণ করা
অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশুর বয়স ১২-১৮ মাস না হওয়া পর্যন্ত হাইড্রোসিল অপারেশন করা হয় না।

 প্রতিরোধের উপায় :
– যেহেতু এটি জন্মের পূর্বেই তৈরি হয় তাই নবাগত শিশুদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিরোধ-যোগ্য নয়। তবে সঠিক গর্ভকালীন পরিচর্যা, গর্ভাবস্থায় অপুষ্ট শিশুর জন্মরোধে সাহায্য করে ফলে ছেলে শিশুর হাইড্রোসিলের ঝুঁকির হার কমায়।
– প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষগণ জননাঙ্গ আঘাতের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্যে পদক্ষেপ নিতে পারেন। যেমন : প্রতিরোধমূলক এথলেটিক ক্যাপ পরিধান করা এবং খেলাধুলার নিরাপদ নিয়মকানুন মেনে চলা।
– স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মেনে চলা।
– যৌনরোগ এড়িয়ে চলা।

– ইউটিউবে স্বাস্থ্য টিপস পেতে ক্লিক করুন “Doctorola TV” (Online Health Channel) –

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য। (অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না)

6 Comments

  1. Ripon khan says:

    যদি কোন পুরুষের জন্ম কাল থেকেই একটি টেসটিস স্বাবাবিকের চেয়ে ছোট এবং একটু উপরে থাকে ও যদি সেটি কাজ না করে
    তাহলে তার কি কি ধরনের সমস্যা হতে পারে?
    এবং স্বাভাবিক যৌন ্কর্ম করতে কি সমস্যা হবে? সে কি সন্তান জন্ম দুতপ ্ দিতে পারবে?

    • একটি টেসটিস যদি কাজ না করে তাহলে অন্যটি দিয়েও কাজ হয়। টেসটিস এর কাজ হচ্ছে টেস্টস্টেরন নিঃসরণ করা। আর এই টেস্টস্টেরন স্বাভাবিক যৌন কর্ম করতে সাহায্য করে। এখন টেসটিস একটি হলে টেস্টস্টেরন এর পরিমাণ ও কমে যায়। তাই কিছু সমস্যা হতে পারে । ধন্যবাদ।

  2. ismail mizi says:

    আমি একটা সমস্যায় বুকতেছি,আমার আমার ডানপাশের তুলনায় বাম পাশের অন্ডকোষটা ওনেক ছোট, কোন বেথ্যা হয় না, আমি দুটো অন্ডকোষ সমান অবস্তায় আনতে চাই, আমি এখন কি করবো আমার বয়স ২৮ দয়া করে আমাকে একটা পরামশ্য দিন।

    • একটু ছোট বড় থাকা স্বাভাবিক। তবে যদি অনেক ছোট হয় সেক্ষেত্রে একজন ইউরোলজিস্টের কাছে যেতে পারেন। তিনি সরাসরি দেখে যেই পরামর্শ দিবেন তা মেনে চিকিৎসা গ্রহন করবেন।

  3. Md.Rajib hossin says:

    আমার ডানপাশের থেকে বামপাশের অন্ডকোষটির ভিতরের রগ গুলো একটু মোটা,কিন্তু কোন ব্যাথা হয়না।এইটা কি কোন সমস্যা?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *