টাইফয়েড ফিভার

Blog Pic-38

::: টাইফয়েড ফিভার :::

গরম  কাল আসলেই টাইফয়েড জ্বরের কথা আমরা অনেক শুনতে পাই। আশে পাশের অনেকেই টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। আসুন জেনে নেই সেই টাইফয়েড জ্বরের বিস্তারিত।

টাইফয়েড কি?
টাইফয়েড  একটি জীবানু বাহিত রোগ। সালমোনেলা  টাইফি ও প্যারাটাইফি নামক জীবানু দ্বারা এই রোগ হয়ে থাকে।

টাইফয়েড কিভাবে ছড়ায়ঃ
এটি প্রধানত একটি পানি বাহিত রোগ। জীবানু আক্রান্ত পানি পানের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। পানি ছাড়াও খাবার এর মাধ্যমেও টাইফয়েড ছড়াতে পারে।

টাইফয়েড এর লক্ষনঃ
১। টাইফয়েড  এর প্রধান লক্ষন জ্বর। প্রথমে অল্প তাপমাত্রার জ্বর হলেও আসতে আসতে জ্বর তীব্র আকার ধারন করে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট ছাড়াতে  পারে
২। মাথা ব্যথা
৩। পেটে ব্যথা
৪। ডায়রিয়া অথবা কৌষ্ঠকাঠিন্য
৫। ক্ষুধা মন্দা
৬। ওজন কমে যাওয়া

টাইফয়েড এর ক্যারিয়ার কি জিনিসঃ
টাইফয়েড এর ক্যারিয়ার এমন একটা অবস্থা, যেখানে কোন কোন ব্যক্তির শরীরে নীরবেই টাইফয়েড এর জীবানু বাসা বাধে, কিন্তু তারা রোগের  কোন লক্ষন প্রকাশ করে না। কিন্তু ক্যারিয়ার এর শরীর থেকে অন্য ব্যক্তির শরীরে টাইফয়েড এর জীবানু ছড়াতে পারে, এবং সে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে।

টাইফয়েড হলে কি করবেনঃ
একটানা অনেক দিন জ্বর যেটি সাধারন  প্যারাসিটামলে সারছে না  ও অন্যান্য লক্ষন বোঝা মাত্রই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। টাইফয়েড ও এর থেকে সৃষ্ট কমপ্লিকেশন থেকে বাঁচতে  হাসপাতালে ভর্তি ও নির্দিষ্ট মাত্রার এন্টীবায়োটিক এর বিকল্প নেই।

টাইফয়েড প্রতিরোধে করনীয়ঃ
টাইফয়েড আমাদের দেশের মত অধিক ঘনবসতিপূর্ন দেশের একটি  মাথা ব্যথার কারন। কিছু কিছু ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে টাইফয়েডকে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

১। যেহেতু টাইফয়েড পানি বাহিত রোগ  , তাই নিরাপদ পানি পানের বিকল্প নেই
২। খাবার আগে  ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে
৩। পায়খানার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া
৪ । খাবার দাবার ভাল করে ধুয়ে খাওয়া
৫।  হোটেল অথবা বাইরের খাবার কম খাওয়া

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এ সকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য।

 
দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।
 

Comments are closed.