Not Available Date for this Advertisement

বাবা-মা’য়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় “সিনিয়র সিটিজেন কেয়ার সার্ভিস”

Senior Citizen Care

নিজ সন্তানকে অনেক যত্নে ও পরম আদরে বড় করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে থাকেন প্রতিটি বাবা-মা। দীর্ঘ সময় জুড়ে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে নিজ সাধ্যের সবটুকু উজাড় করে দেন সন্তানের ভালোর জন্য। সেই আদরের ছোট্ট সন্তান পড়াশোনার গন্ডি পেরিয়ে একসময়  প্রবেশ করে কর্মস্থলে, শুরু হয় কর্মব্যস্ত জীবন, বেড়ে যায় ব্যস্ততা। এদিকে সময়ও থেমে থাকে না, সময়ের চাকা ঘুরে বাবা-মা ধীরে ধীরে প্রবেশ করতে থাকেন বার্ধক্যের দিকে, এসময় সন্তানই যেন হয়ে যান তাদের সবচাইতে আপন।

প্রায় প্রত্যেক সচেতন সন্তান চেষ্টা করেন বাবা-মায়ের এই নির্ভরশীলতাকে অতি গুরুত্বের সাথে দেখার। সব সময় সজাগ থাকেন, যেন তাদের কোনও কষ্ট না হয়। খাওয়া-দাওয়া, চলা-ফেরা, পছন্দ-অপছন্দের ব্যপারগুলো জানা থেকে শুরু করে বাবা-মাকে ঠিকমতো সময় দেওয়া, স্বাস্থ্যের খবর রাখা এগুলো হয়ে উঠে নিয়মিত রুটিন। কিন্তু কর্মব্যস্ততা ও নানাবিধ চাপ সামলাতে গিয়ে বাবা-মায়ের খোঁজ নেয়ার এই রুটিনটি হতে পারে বিঘ্নিত। এমনকি অফিসের কাজে অথবা পারিবারিক কারণে যেতে হতে পারে দূরে কোথাও, দীর্ঘ সময়জুড়ে থাকা লাগতে পারে শহর কিংবা দেশের বাইরে, বাবা-মা থেকে অনেক দূরে। এ অবস্থায় বাবা-মায়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর রাখা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন, বিশেষ করে তাদের শারীরিক অসুস্থতায় দরকারি সেবা পাওয়া নিয়েই দুশ্চিন্তা বেশী থাকে।

এমন দুশ্চিন্তা দূর করতেই “সিনিয়র সিটিজেন কেয়ার সার্ভিস” নামের নতুন একটি সেবা চালু করেছে ডক্টরোলা ডট কম। এই সেবা গ্রহনের মাধ্যমে সহজেই বছজুড়ে বাবা-মায়ের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে করা যাবে। ডক্টরোলার এই সিনিয়র সিটিজেন কেয়ার সার্ভিসে রয়েছে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা ফোনে/ভিডিও কলে ডাক্তারের পরামর্শ, ডাক্তারের সঙ্গে অনলাইন চ্যাট, সারাদেশে ডাক্তার অ্যাপয়নমেন্ট সার্ভিস, বাসায় ডাক্তার দেখানো (ডক্টর হোম কল সার্ভিস), টেস্টের জন্য  বাসা থেকেই স্যাম্পল সংগ্রহ ও রিপোর্ট পৌঁছে দেওয়া, হাসপাতালে থাকা ও অন্যান্য খরচের উপর ক্যাশব্যাক, লাইফ ইনস্যুরেন্স কাভারেজ, অ্যাম্বুলেস সেবাসহ নানা ধরনের সেবা। এ সম্পর্কে ডক্টরোলা ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন ইমন বলেন, “সন্তানের ব্যস্ততাজনিত কারণে বাবা-মায়ের চিকিৎসা সেবায় যেন কোন ঘাটতি না পড়ে সেটি মাথায় রেখেই এই সেবাগুলো আমরা নিয়ে এসেছি, এই সেবাগুলো দেয়ার ক্ষেত্রে সেবার মান নিয়ে কোন রকম আপস করবে না ডক্টরোলা”।

সিনিয়র সিটিজেন কেয়ার সার্ভিসের তিনটি ক্যাটাগরি রয়েছে। এগুলো হলোঃ সিলভার, গোল্ড এবং প্লাটিনাম। এক বছরের জন্য যে কেউ এই তিনটি ক্যাটাগরির যে কোনও একটিতে নিবন্ধন করতে পারবেন। নিবন্ধন সম্পর্কিত তথ্যের জন্য ডক্টরোলার সাইট ভিজিট (https://doctorola.com/carepack/single/1) করলেই হবে।

যা আছে সিনিয়র সিটিজেন কেয়ারেঃsinior-citizen-fb-post-01

দিনরাত ২৪ ঘন্টা ফোনে ডাক্তারের পরামর্শ: সিনিয়র সিটিজেন কেয়ারে নিবন্ধিতরা যখনই প্রয়োজন ঠিক তখনই ফোনে কথা বলতে পারবেন একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের সাথে।

অনলাইন চ্যাট: ফোন কলের পাশাপাশি অনলাইনে চ্যাট করার মাধ্যমেও বছরজুড়ে পাওয়া যাবে ডাক্তারের পরামর্শ।

বাসায় ডাক্তার দেখানো: সিনিয়র সিটিজেন কেয়ারে নিবন্ধিতরা ক্যাটাগরি ভেদে বছরজুড়ে ৪ থেকে ৮ বার বাসায় বসে একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তার দেখাতে পারবেন।

বাসা থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ ও রিপোর্ট পৌঁছে দেওয়া: পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাসা থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ ও রিপোর্ট বাসায় পৌঁছে দেওয়া সেবাটি ক্যাটাগরি নির্বিশেষে সবার জন্য বিদ্যমান আছে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সঙ্গে ভিডিও কল: প্লাটিনাম গ্রাহকরা বছরে ৪ বার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সঙ্গে ভিডিও কল করতে পারবেন। অন্যদিকে গোল্ড ও সিলভার গ্রাহকরা ২ বার করে এই সুবিধা পাবেন।

বাসায় মেডিসিন ডেলিভারি ও মেডিসিন রিমাইন্ডার সেবাঃ এতে করে বাসায় বসেই বুঝে নেয়া যাবে মেডিসিন ও পাশাপাশি এসএমএস অথবা অ্যাপ এ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে পাওয়া যাবে মেডিসিন খাওয়ার রিমাইন্ডার।

সারাদেশে ডাক্তার অ্যাপয়নমেন্ট সার্ভিস: ফোনে পরামর্শ ও অনলাইন চ্যাটের মতো এই সেবাও নেওয়া যাবে যত খুশি তত বার।

হাসপাতালে থাকা ও অন্যান্য খরচে ক্যাশব্যাকঃ হাসপাতালে থাকা, ডাক্তার দেখানো, টেস্টের খরচের উপর মিলবে ১০,০০০/= থেকে ১০০,০০০/= পর্যন্ত ক্যাশ-ব্যাক।

লাইফ ইনস্যুরেন্স কাভারেজ: ক্যাটাগরি ভেদে এই প্যাকেজে নিবন্ধিতরা পাচ্ছেন ৫০,০০০/= থেকে ১০০,০০০/= পর্যন্ত লাইফ ইনস্যুরেন্স কভারেজের সুবিধা।

এগুলো ছাড়াও সিনিয়র সিটিজেন কেয়ার সার্ভিসের আওতায় রয়েছে আনলিমিটেড ইমার্জেন্সি ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ইনফরমেশন সেবা, ইলেক্ট্রনিক হেলথ রেকর্ড সেবা।

প্রি-বুকিং এর জন্য আজই এই লিংকে দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন – https://doctorola.com/carepack/single/1

Comments are closed.