Tonsillitis টনসিলে প্রদাহ

blog-pic-435

আমাদের গলার পিছের দিকে দুই পাশে দুইটি লিম্ফোয়েড গ্রন্থি আছে যা আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি অংশ। একে টনসিল বলা হয় যা আমাদেরকে রক্ষা করে কিছু ইনফেকশন থেকে। কিন্তু এই টনসিলই যখন নিজে সংক্রমিত হয়ে পরে তখন দেখা দেয় প্রদাহ, যা করতে পারে বিভিন্ন সমস্যার। তাই আসুন জেনে নেই টনসিলের প্রদাহ সম্পর্কে।

টনসিলে প্রদাহ কিভাবে হয়?
টনসিলে প্রদাহ সাধারণত কিছু ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া দিয়ে আক্রান্ত হওয়ার জন্য হয়ে থাকে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:-
১) এস্টাফাইলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া,
২) নিউমোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া,
৩) ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস,
৪) এডেনো ভাইরাস ইত্যাদি।

কি কি উপসর্গ দেখা দেয়: গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ গুলার মাঝে রয়েছে
১) গলা ব্যথা হওয়া,
২) গলার মাঝে কাঁটা বিধে থাকার মত মনে হওয়া,
৩) গিলতে অসুবিধা বা ব্যথা হওয়া,
৪) জ্বর আসা,
৫) ঘাড় এবং কানে ব্যথা হওয়া,
৬) গলা ফুলে যাওয়া,
৭) টনসিলে পুঁজ জমে যায়, যার কারণে নিঃশ্বাস এর সাথে বাজে গন্ধ আসে,
৮) গলা ভেঙ্গে যাওয়া।

এরকম উপসর্গ দেখা দিলে সাথে সাথে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। দুইটি পরীক্ষা করে বুঝা যাবে যে আপনার টনসিলে প্রদাহ ভাইরাস নাকি ব্যাকটেরিয়া দিয়ে হচ্ছে এবং সেই অনুযায়ী আপনাকে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষা দুটি হচ্ছেঃ
১) সিবিসি,
২) থ্রোট সোয়াব ফর কালচার এন্ড সেন্সিটিভিটি (এইখানে পুঁজ নিয়ে পরীক্ষা করে দেখা হয় যে ভাইরাস নাকি ব্যাকটেরিয়া রয়েছে)।

কি চিকিৎসা রয়েছে:
১) রোগীকে সম্পূর্ণরূপে বিশ্রামে রাখা,
২) তরল জাতীয় খাবার খাওয়া,
৩) হাল্কা কুসুম গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করা,
৪) ব্যথা বেশী হলে ব্যথানাশক ঔষধ গ্রহণ করা,
৫) জ্বর এর জন্য প্যারাসিটামোল জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করা,
৬) এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ নেয়া।

তবে যে ঔষধই নেন না কেন তা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিতে হবে। সাধারণত পরিপূর্ণ বিশ্রাম নিলে ১৪ থেকে ১৬ দিনেই প্রদাহ চলে যায়। কিন্তু এটাই শেষ নয়। যদি ১ বছর সময় এর মধ্যে ৪/৫ বার এই প্রদাহ হয় তাহলে তা ক্রনিক টনসিল প্রদাহ হিসেবে গণ্য হয় যা অত্যন্ত কষ্টের। এই ক্ষেত্রে রোগীকে শল্য চিকিৎসা নিতে হবে এবং তাতে টনসিল কেটে ফেলে দিতে হবে। কারণ তা না করলে দেখা দিবে বিভিন্ন জটিলতা, যেমনঃ-
– পেরিটন্সিলার অ্যাবসেস (টনসিল সহ আশে পাশের জায়গায় পুঁজ জমে যাওয়া)
– মধ্য-কালে ইনফেকশন,
– কিডনিতে প্রদাহ
– ল্যারিংস( স্বরযন্ত্র) ফুলে যাওয়া

তাই সচেতন হোন ভাল থাকুন।

– ইউটিউবে স্বাস্থ্য টিপস পেতে ক্লিক করুন “Doctorola TV” (Online Health Channel) –

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য। অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না। লেখা সংক্রান্ত কোন মতামত থাকলে অনুগ্রহ করে ব্লগের নিচে “Leave a Reply” সেকশনে বিস্তারিত লিখুন।

দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।

From Wikipedia: Tonsillitis is inflammation of the tonsils, typically of rapid onset. It is a type of pharyngitis. Symptoms may include sore throat, fever, enlargement of the tonsils, trouble swallowing, and large lymph nodes around the neck. Complications include peritonsillar abscess. Tonsillitis is most commonly caused by a viral infection, with about 5% to 40% of cases caused by a bacterial infection. When caused by the bacterium group A streptococcus, it is referred to as strep throat. Rarely bacteria such as Neisseria gonorrhoeae, Corynebacterium diphtheriae, or Haemophilus influenzae may be the cause. Typically the infection is spread between people through the air. A scoring system, such as the Centor score, may help separate possible causes. Confirmation may be by a throat swab or rapid strep test.

Comments are closed.