Food for skin care সঠিক খাবারে উজ্জল ত্বক – Foods for glowing skin

blog-pic-414

সুন্দর, স্বাস্থ্য উজ্জ্বল ত্বক কে না চায়? লাবণ্যময় ত্বক আমাদের প্রদান করে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। কিন্তু প্রতিদিনের রোদ, ধূলাবালি, দূষণ এমনকি স্ট্রেস কিংবা মানসিক চাপ সবকিছুর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে ত্বকের উপর; পাশাপাশি নানা রকম প্রসাধনীর ব্যবহার তো আছেই। এসব প্রসাধনীর কোনটিই কিন্তু স্থায়ী কোন সমাধান দিতে পারছে না। তবে দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় নির্দিষ্ট কিছু খাবার যোগ করলে ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতা ফেরানো সম্ভব।  অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না।

পানি ও পানীয় : প্রথমেই আসছি পানির বিষয়ে। ত্বকের উজ্জ্বলতা রক্ষায় পানি অতুলনীয় ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি পান নিশ্চিত করে ত্বকের আর্দ্রতা। এছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করলে বয়সের ছাপ দেরীতে আসে। বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি ডাবের পানি খাওয়া যেতে পারে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে এর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

এখন আসছি কিছু নির্দিষ্ট মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টসের বিষয়ে।

প্রথমেই ভিটামিন ই: সাস্থ্যোময় ত্বকের নিউট্রিয়েন্ট হিসাবে প্রথমেই মাথায় আসে ভিটামিন ই। এক্ষেত্রে ভিটামিন ই এর বাহ্যিক ব্যবহারের তুলনায় ভিটামিন ই যুক্ত খাবার খাওয়াই উত্তম। কাঠবাদাম, ডিম, আখরোট, সূর্য মুখী বীজ, পালং শাক, জলপাই এমনকি ওটমিলে পর্যাপ্ত ভিটামিন ই থাকে।

ভিটামিন সি: এটি একটি শক্তিশালী  অ্যান্টি অক্সিডেন্ট; ত্বকের কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে। আমলকি, পেয়ারা, কমলা, মাল্টা, লেবু, স্ট্রবেরী, ব্রোকলি, ক্যাপ্সিকাম, কাঁচা মরিচ প্রভৃতি খাবারে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।

ওমেগা-৩: সাস্থ্যকর ফ্যাট হিসাবে এটিকে আমরা সবাই চিনি। এই ওমেগা-৩ কিন্তু  বয়সের ছাপ প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে, পাশাপাশি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। সামুদ্রিক মাছ, আখরোট, তিল, তিসি প্রভৃতি ওমেগা-৩ এর সুষম উৎস।

ভিটামিন এ: ত্বকের শুষ্কতা প্রতিরোধ করে, পাশাপাশি সূর্য রশ্মির কারণে ত্বকে ঘটে যাওয়া ফ্রি র‍্যাডিকেল ড্যামেজকে প্রতিহত করে।  কলিজা, ডিম, মিষ্টি আলু, লাল মরিচ, পালং শাক, বীট, টমেটো, আনার ইত্যাদি খাবার থেকে আমরা ভিটামিন এ পেয়ে থাকি।

জিঙ্ক: অত্যন্ত পরিচিত মিনারেল জিঙ্ক, যেটি সাধারনত বাচ্চাদের ডায়রিয়া কিংবা ক্ষুধামন্দায় ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এটি যে ত্বকের যত্নে উপকারী সেটি হয়তো অনেকেরই অজানা। এটি সূর্য রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে, পাশাপাশি যাদের ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তেল শোষণ করে। এছাড়া ব্রন, অ্যাকনিকেও প্রতিরোধ করে। জিঙ্ক এর উৎস হিসাবে আমরা মুরগীর মাংস, সূর্যমুখী বীজ, আদা, ডাল, মাশরুম কিংবা গোটা শস্য খেতে পারি।  অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না

সেলেনিয়াম: এখন আসছি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট মিনারেল- সেলেনিয়াম বিষয়ে। এটি আমাদের কাছে একটু অপরিচিত; তবে ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখতে এটি দারুণভাবে কাজ করে, অ্যাকনি প্রতিরোধ করে। এছাড়া  ভিটামিন ই এর শোষণে সাহায্য করে। কলিজা, মুরগীর মাংস, আখরোট, লাল চাল, গোটা শস্য দানায় প্রচুর সেলেনিয়াম থাকে।

সুতরাং আর দেরী কেন? প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই এই খাবারগুলি যুক্ত করুন, সাস্থ্য উজ্জ্বল ও দীপ্তিময় ত্বকের অধিকারী হয়ে সবার নজর কাড়ুন।

ডক্টরোলায় লিখেছেন শবনম মোস্তফা, প্রোফাইলঃ https://goo.gl/85PWtB, নিউট্রিশন কন্সাল্টেন্ট
শিওরসেল মেডিক্যাল [বিডি] লিঃ

– ইউটিউবে স্বাস্থ্য টিপস পেতে ক্লিক করুন “Doctorola TV” (Online Health Channel) –

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য। (অনুমতি ব্যাতিত ডক্টরোলার ব্লগের লেখা কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে ব্যবহার করা যাবে না)

দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।
 

Comments are closed.