Not Available Date for this Advertisement

পুরুষের বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা

blog-pic-364

যেসব পুরুষ বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভোগেন তাদের অন্তত অর্ধেক পুরুষের সমস্যাগুলো চিকিৎসা দ্বারা নিরাময় সম্ভব।

তিন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে :
১. এসিসটেড রিপ্রোডাকশান (প্রজননে সহায়তা)
২. ওষুধ দ্বারা চিকিৎসা
৩. অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা।

এসিসটেড রিপ্রোডাকশান : এ চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর লক্ষ্য হচ্ছে-
ক. পুরুষাঙ্গের সক্ষমতা উন্নয়ন
খ. বীর্যপাত ত্বরান্বিত করা
গ. ডিম্বাণুর সঙ্গে সংযোগ

এগুলো কয়েক ধরনের আছে। যেমন :
১. ইলেক্ট্রো ইজাকুলেশান : স্নায়বিক সমস্যা বা অন্যান্য কারণে যদি কোনও রোগীর বীর্যপাত না হয় তখন এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
২. শুক্রাণু বের করে আনা (মাইক্রো এপিডিডাইমাল স্পার্ম এসপিরেশান):  যেসব সমস্যা থাকলে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:
-শুক্রাণু চলাচলের নালী-পথ বন্ধ
– বংশগতভাবে ভাস ডিফারেন্স অনুপস্থিত
– ভ্যাসেকটমির পর পুনঃ-সংযোগ অপারেশনে ব্যর্থতা
– অপর্যাপ্ত শুক্রাণু সংখ্যা

৩. শুক্রাণু ধৌতকরণ : এ প্রক্রিয়ায় স্বাস্থ্যবান শুক্রাণুগুলোকে পৃথক করে প্রয়োগের জন্যে তৈরি করা হয়।

৪. গ্যামেট (অনুবীজ) জরায়ু-নালীতে স্থাপন (GIFT)

ওষুধ প্রয়োগ যেমন:
– টেস্টোস্টেরন হরমোন ইনজেকশন
– ট্যামোক্সিফিন
– প্রজনন ক্ষমতা বিনষ্টকারী অণ্ডকোষ, প্রোস্টেট গ্রন্থি ও রেচনতন্ত্রের প্রদাহ এবং যৌন-বাহিত রোগসমূহ লিভোফ্লক্সাসিন ও ডক্সিসাইক্লিন নামক এন্টিবায়োটিক দ্বারা সফলতার সঙ্গে চিকিৎসা করা সম্ভব।

অপারেশনের মাধ্যমে :
– প্রজননতন্ত্রের নালী-পথ বন্ধ হওয়া ও ভেরিকোসিলের চিকিৎসা করা হয়।
– ভাস ডিফারেন্স ও এপিডিডাইমিসের মধ্যে সূক্ষ্ম সার্জারির মাধ্যমে সংযোগ ঘটিয়ে এপিডিডাইমিসের সূক্ষ্ম নালী-পথের বিকল্প রাস্তা তৈরি করা হয়।

– ইউটিউবে স্বাস্থ্য টিপস পেতে ক্লিক করুন “Doctorola TV” (Online Health Channel) –

দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।

Comments are closed.