Not Available Date for this Advertisement

মানসিক প্রতিবন্ধীত্ব

(c) Ingram Publishing

সহজ ভাষায় বলতে গেলে জন্মগতভাবে বুদ্ধি সাধারণের চেয়ে কম হলে তাকে মানসিক প্রতিবন্ধীত্ব বলা হয়। এখন জানা যাক বুদ্ধি বলতে আসলে কী বোঝায়? বুদ্ধি হলো এমন ক্ষমতা যা দিয়ে উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে কাজ করা যায়, যুক্তিপূর্ণভাবে চিন্তা করা যায় এবং পরিবেশের সাথে উপযুক্তভাবে মোকাবিলা করা যায়।

Intelligent Quotient (IQ) -এর বিচাতে মানসিক প্রতীবন্ধীত্বকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
১. মৃদু মানসিক প্রতিবন্ধীত্ব,  যাদের আই কিউ ৫০-৬৯
২. মাঝারি মানসিক প্রতীবন্ধীত্ব, যাদের আই কিউ ৩৫-৪৯
৩. গুরুতর মানসিক প্রতীবন্ধীত্ব, যাদের আই কিউ ২০-৩৪
৫. অতি গুরুতর মানসিক প্রতীবন্ধীত্ব, যাদের আই কিউ ২০ এর নিচে।
যাদের আই কিউ ৭০-১০০, তারা স্বাভাবিক বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ।

বুদ্ধিমত্তা কম হবার জন্যে শুধু যে জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভের প্রতিযোগিতায় পরাজয় ঘটে তা নয়। বরং বিভিন্ন শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা তাদের মাঝে বেশি দেখা দেয়।

মানসিক প্রতীবন্ধীদের কী কী শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়?
১. মৃগীরোগ
২. শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তির হ্রাস
৩. নানা ধরনের স্নায়ুরোগ
৪. প্রস্রাব ধরে রাখার অক্ষমতা
৫. শারীরিক বিভিন্ন অক্ষমতা ও অচলতা।

মানসিক প্রতিবন্ধীদের কী কী মানসিক রোগ ও সমস্যা দেখা দেয়?
১. সিজোফ্রেনিয়া
২. অস্বাভাবিক ভাবাবেগ
৩. ব্যক্তিত্বের অসঙ্গতি
৪. ভুলে যাওয়া রোগ
৫. এটেনশান ডেফিসিট হাইপার একটিভ ডিজঅর্ডার
৬. কামভাবের অস্বাভাবিকতা
৭. নানাবিধ আচরণগত সমস্যা

সমাধানে করণীয় কী?

১. বিভিন্ন উন্নত টেস্ট যেমন : Amniocentesis, Fetoscopy, Ultrasound scanning of the fetus ইত্যাদির মাধ্যমে গর্ভবতী মাকে পরীক্ষা করে গর্ভের বাচ্চার অস্বাভাবিকতা সম্পর্কে বোঝা যায়। মা-বাবাকে ভবিষ্যত সম্পর্কে বিজ্ঞান সম্মত উপদেশ (Genetic Counselling) দেওয়া সম্ভব।
২. মানসিক প্রতিবন্ধী প্রতিপালন সম্পর্কে বাস্তবধর্মী ও বিজ্ঞানসম্মত উপায় মা-বাবাকে শেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের বিশেষ ধরনের আচরণ ও ব্যবহারিক শিক্ষা প্রয়োজন। এদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের জন্যে অনেক ধরনের বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে।
৪. গর্ভবতী মা-কে নিয়মিত চেক-আপে থাকতে হবে এবং প্রয়োজনীয় টেস্টগুলো করাতে হবে।
৫. গর্ভবতী মাকে আয়োডিনযুক্ত লবণ, ফলিক এসিড, আয়রন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্সসহ যথার্থ পুষ্টির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
৬. নবজাতক শিশুর টিকা দিতে হবে।
৭. শিশুর যেকোনো ইনফেকশান ও ডায়রিয়ায় যতো দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা নিতে হবে।

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য।

 দেশজুড়ে সকল বিভাগের অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও সিরিয়াল নিতে যে কোন মোবাইল থেকে কল করুন 16484 নম্বরে অথবা ভিজিট করুন www.doctorola.com। 
 

Comments are closed.