Rheumatic Fever বা বাতজ্বর

blog-pic-111

বাতজ্বর হল গ্রুপ এ স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটিত এক ধরনের প্রদাহজনিত রোগ। বাতজ্বর সাধারণত ৫-১৫ বছর বয়েসী বাচ্চাদের বেশী হয়ে থাকে। তবে বয়স্করাও এতে আক্রান্ত হতে পারে। স্ট্রেপ্টোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত গলার প্রদাহ বা স্কারলেট জ্বরের অপর্যাপ্ত চিকিৎসার ফলে এটি হতে পারে। বাতজ্বরে আক্রান্ত হলে তা পরবর্তীতে হৃদপিন্ড এবং হৃদপিন্ডের ভালভের বিভিন্ন রোগ এমনকি হার্টফেইলিওর এর কারণ পর্যন্ত হতে পারে।

বাতজ্বরের লক্ষণসমূহঃ
আপনি বাতজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন কি না তা নির্ণয়ের জন্যে রয়েছে জোনস ক্রাইটেরিয়া। নিম্নে উল্লেখিত যেকোন দুটি মূল লক্ষণ এবং সাথে একটি আনুষাঙ্গিক লক্ষণ বা দুটি মূল লক্ষণ এবং সাথে স্ট্রেপ্টোকক্কাস ঘটিত গলার প্রদাহের ইতিহাস থাকলে জোনস ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী আপনি বাতজ্বরে আক্রান্তঃ

মূল লক্ষণসমূহঃ
১। পলি আর্থারাইটিস।
২। হৃদপিন্ডে প্রদাহ।
৩। চামড়ার নিচের গোটা বা ফোলা।
৪। সিনডেনহাম কোরিয়া।
৫। গায়ে র্যা শ বা ইরাইথিমা মারজিনেটাম।

আনুষাঙ্গিক লক্ষণসমূহঃ
১। জ্বর।
২। রক্তের ইএসআর অনেক বেশী হওয়া।
৩। অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
৪। ইসিজিতে কোন ধরনের পরিবর্তন।
৫। রক্তে সি-রিঅ্যক্টিভ প্রোটিনের পরিমান বেশী হওয়া।

বাতজ্বরের চিকিৎসাঃ
বাতজ্বরের চিকিৎসা মূলতঃ পেনিসিলিন অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে করা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট ডোজের ঔষধ স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও বাতব্যথার ঔষধ হিসেবে আইবুপ্রোফেন , ন্যাপ্রোক্সেন বা অন্যান্য ব্যথানাশক ঔষধ দেয়া হয়ে থাকে। রোগজনিত দীর্ঘ জটিলতায় অন্যান্য লক্ষণ অনুযায়ী ঔষধ দেয়া হয়ে থাকে।

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য।

 দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।

Comments are closed.