দীর্ঘ মেয়াদী মাথা ব্যথার ওষূধ ব্যবহারের অপকারিতা (রিবাউন্ড হেডেক)

blog-pic-121

অনেক  দিন ধরে কেউ মাথা ব্যথার ওষূধ নিয়মিত খেলে তার রিবাউন্ড হেডেক দেখা যায়, বিশেষ করে যাদের মাইগ্রেন আছে তারা যদি রেগুলার মাইগ্রেনের ওষুধ খায় তাদের এটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ব্যথার ওষুধ খাওয়া কমিয়ে দিলে সাধারণত এটি কমে যায়।

কিভাবে বুঝবেনঃ
১) প্রায় প্রতিদিনই আপনার মাথা ব্যথা হবে, বিশেষ করে কেউ যদি সকালে হাটে
২) ব্যথার ওষূধ খাওয়া কমিয়ে দিলে ব্যথা কমে যায় কিন্তু ব্যথার ওষুধ আবার খেলে মাথা ব্যথা দেখা দেয় আগের মত
৩) বমি বমি ভাব দেখা যায়
৪) উদসীনভাব থাকে
৫) মেজাজ খিটখিটে থাকে
৬) এক ধরনের অস্থিরতা কাজ করে
৭) কাজে মনোযোগ দিতে সমস্যা হয়
৮) কোন কিছু ঠিকমত মনে থাকে

রিবাউন্ড হেডেক কেন হয়ঃ
১) এসপিরিন, এসিটামিনোফেন জাতীয় ব্যথা কমানোর ওষুধ খেলে হয়
২) মাইগ্রেনের ওষুধ নিয়মিত খেলে হয়
৩) ওপিয়েট জাতীয় ওষুধ খেলে হয়
৪) ক্যাফেইন নিয়মিত খেলে হয়

কাদের রিবাউন্ড হেডেক হওয়ার সম্ভাবনা বেশিঃ
১) যাদের অনেক দিন ধরে মাথা ব্যথা আছে
২) নিয়মিত যারা মাথা ব্যথার ওষুধ খায়

রিবাউন্ড হেডেক এর চিকিৎসাঃ
ব্যথার ওষুধ খাওয়া কমিয়ে দিলে সাধারণত এই ব্যথা ভাল হয়ে যায়

রিবাউন্ড হেডেক প্রতিরোধঃ
– পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে
– যেসব ওষুধ খেলে ব্যথা হয় সেগুলো না খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে
– নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে
– নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস করতে হবে
– মানসিক চাপ কম নেয়ার চেষ্টা করতে হবে
– ওজন বেশি হলে কমাতে হবে
– ধূমপান ছেড়ে দেয়ার চেষ্টা করতে হবে

তাছাড়া অনেক সময় ডাক্তার রোগীর অবস্থা বুঝে CBT (Cognitive Behavioral Therapy) দেয়া হয়।

Doctorola.com প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি Doctorola.com এর লক্ষ্য।

 দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।

Comments are closed.