হাম হলে কি করবেন?

Blog pic-19
-ডাক্তার অ্যাপয়েন্টমেন্ট সার্ভিস Doctorola.com স্বাস্থ্য তথ্য-
 

::: হাম হলে কি করবেন? :::

হাম একটি  ভাইরাস জনিত ছোয়াচে রোগ যা কিনা একজন আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে আরেকজন সুস্থ মানুষের মাঝে ছড়ায়। হাম সাধারণত   আরএনএ প্যারামিক্সক নামক ভাইরাস এর মাধ্যমে ছড়ায়।
সাধারণত শিশুরা হামে  আক্রান্ত হয়ে থাকে আর তাই ১৮ মাস বয়সে শিশুদের হামের ভ্যাক্সিন দেয়া হয়ে থাকে। কিন্তু বড়দের ও হাম হতে পারে, তাই হাম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বড়দের ‘’এমএমআর’’ নামক ভ্যাক্সিন দেয়া হয়।

হামের লক্ষণঃ
১) জ্বর হয়
২) শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে
৩) শরীরে ব্যথা দেখা দেয়
৪) হাচি-কাশি হয় অনেক সময়
৫) শিশুরা অনেক সময় বমি করে
৬) খিচুনি দেখা দিতে পারে
৭) চোখ লাল হয়ে যায়
৮) সর্দি ও দেখা দিতে পারে
৯) শরীরের বিভিন্ন স্থানে র‍্যাশ দেখা যায়
১০) মুখে  এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে লালচে দানা দেখা দেয়

বাচচাদের হাম হলে যেসব জটিলতা দেখা দেয়ঃ
১) নিউমোনিয়া
২) খিচুনি
৩) ডায়রিয়া
৪) পানিশূন্যতা
৫)অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে
৬) মাথায় ম্যালইডাইসিস নামক রোগ হতে পারে
৭) রাতকানা হতে পারে

বড়দের হাম হলে যেসব জটিলতা দেখা যায়ঃ
১) নিউমোনিয়া
২) ডায়রিয়া
৩) কানে সমস্যা দেখা দিতে পারে
৪) কর্ণিয়াতে আলসার হতে পারে
৫) শরীরের ওজন কমে যেতে পারে
৬) মাথায় ম্যালইডাইসিস নামক রোগ হতে পারে

চিকিত্সাঃ
১) বিশ্রামে থাকতে হবে
২) বেশি বেশি পানি এবং তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে
৩) জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল খেতে পারে
৪) পুষ্টিকর খাবার খাওয়া বেশি বেশি
৫) ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন
৬)বাচ্চা হামে আক্রান্ত হলে তাকে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে ভিটামিন-এ খাওয়াতে হবে।

ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com) প্রচারিত সকল তথ্য সমসাময়িক বিজ্ঞানসম্মত উৎস থেকে সংগৃহিত এবং এসকল তথ্য কোন অবস্থাতেই সরাসরি রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা দেয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত নয়। জনগণের স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ডক্টোরোলা ডট কমের (www.doctorola.com) লক্ষ্য।
 
দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।
 

2 Comments

  1. Ami akgondacter r shogikitachahhi.kibabe pete pari.porosher bondatha neye alap korte hobe .ok thank u

    • আপনাকে প্রথমে একজন গাইনী ও প্রসূতী বিশেষজ্ঞকে দেখাতে হবে তারাই মূলত এই দেশে বন্ধাত্ব নিয়ে কাজ করে। যদিও মহিলা ডাক্তারই এই বিষয়ে বেশি , তবে পুরুষ ডাক্তারও রয়েছে। আর বন্ধাত্বের পরীক্ষাগুলো স্বামী – স্ত্রী দুজনেরই করতে হয় , তাই আপনার স্ত্রী সহ ডাক্তার দেখাবেন। ধন্যবাদ।