কোষ্ঠকাঠিন্য এবং প্রতিকারে করণীয় – Constipation

Closeup portrait miserable upset young man, doubling over in acute body stomach pain, looking very sick isolated grey wall background. Negative facial expression emotion feeling health issues concept
অসুখ বা উপসর্গ হিসেবে যতটা না মারাত্মক কোষ্ঠকাঠিন্য মানে অনেক বেশি অস্বস্তি। আসুন আজ জেনে নেই কোষ্ঠকাঠিন্য সম্পর্কে।

কোষ্ঠকাঠিন্য কীঃ 
শক্ত ও পরিমাণে কম এবং সপ্তাহে তিন বারের কম পায়খানা হওয়া কে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে। তবে বয়স, মল ত্যাগের অভ্যাস, মলের ধরনভেদে কোষ্ঠকাঠিন্য বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমনঃ যাদের দৈনিক দু বার মলত্যাগ হয় তাদের জন্য একদিন মলত্যাগ না হলে সেটাই কোষ্ঠকাঠিন্য। আবার যাদের মল এমনিতেই একটু নরম হয় তাদের স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি শুকনো মলই কোষ্ঠকাঠিন্য। শক্ত ও কঠিন মল ছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য হলে মলত্যাগে অনেক বেশি সময় এবং চাপ দেয়া লাগে। মলত্যাগের পরেও অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে। মলদ্বারের আশেপাশে ও তলপেটে ব্যথা বা অস্বস্তি বোধ হয়।

কারণঃ 
কোষ্ঠকাঠিন্য কোন অসুখ ছাড়াই হতে পারে তবে কখনো কখনো কোন রোগের উপসর্গ হিসেবে দেখা দেয়। এছাড়া এর সাথে খাদ্যাভ্যাস, লাইফ স্টাইল ও অন্যান্য বিষয় জড়িত। যেমনঃ 
# পরিবেশ পরিস্থিতি (যেমন অফিসে, ভ্রমণের সময়, অপরিচিত জায়গায়) অনুযায়ী সময়মতো মলত্যাগ না করে চেপে রাখার প্রবণতা। 
# দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ,  শারীরিক পরিশ্রম না করা। 
# নিয়মিত ফাস্টফুড খাওয়া। 
# আঁশযুক্ত খাবার ও শাক সবজি না খাওয়া। 
# পর্যাপ্ত পানি বা তরল খাবার কম খাওয়া। 
# গর্ভকালীন সময়ে, যাদের দুধ এবং দুধ জাতীয় খাবার হজমে অসুবিধা হয়, অনেকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপ-কফি। 
# অসুখ- স্ট্রোক, পারকিনসন্স ডিজিস, এক ধরনের ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোমে, হাইপোথাইরয়েডিসম। # ওষুধ- ভিটামিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, এলুমিনিয়াম সমৃদ্ধ ওষুধ, ব্যথানাশক, ডিপ্রেশনের ওষুধ, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, কফ সিরাপ।

জটিলতাঃ 
দীর্ঘ দিনের কোষ্ঠকাঠিন্যে নানা রকম জটিলতা দেখা দেয়, যেমনঃ অর্শ(পাইলস), ফিস্টুলা, এনাল ফিশার(মলদ্বারে ব্যথা), রেকটাল প্রলাপ্স(মলদ্বার দিয়ে কোন কিছু বের হয়ে আসা), প্রস্রাবের সমস্যা, ইন্টেসটিনাল অবস্ট্রাকশন। কোষ্ঠকাঠিন্যের সাথে যদি কখনো মলের সাথে রক্ত যায়, ওজন কমে যায় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে, কারণ এটা অর্শ রোগ থেকে শুরু করে অন্ত্রের ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যের সাথে বমি, পেট ফুলে উঠা, তীব্র পেট ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের কাছে যত দ্রুত সম্ভব দেখা করতে হবে।

চিকিৎসাঃ 
প্রচুর পানি(২ লিটার), তরল জাতীয় খাবার, গরম দুধ গ্রহণ। বেশি করে শাক সবজি, ফল ও আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া। নিয়মিত ব্যায়াম এবং হাঁটা চলা করা। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধকারী খাবার যেমন ইসবগুলের ভুষি, বেল, পেপে, আলুবোখারা, কিসমিস, সিমের বিচি, বাদাম খাওয়া। দিনের এক বা একাধিক নির্দিষ্ট সময়ে মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তোলা। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং অন্যান্য ব্যবস্থা না নিয়ে আঙ্গুল, সাপোজিটরি বা অন্য কোন ওষুধ, সিরাপ ইত্যাদি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একটানা বেশিদিন ব্যবহার করা উচিত হবে না। (তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট)

ডক্টরোলা ব্লাড ডোনার ডাটাবেজে রক্তদাতা হিসেবে সাইন আপ করুন, লিঙ্কঃ https://goo.gl/qe9pSi

দেশজুড়ে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে।

1 Comment

  1. Ramij raja says:

    good